কক্সবাজার ভ্রমনের জন্য দর্শনীয় স্থানগুলো

কক্সবাজার তার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, পাহাড়, পাহাড়ের সাথে সমুদ্রের মিলন প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভ্রমণকারীদের এক বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। এখানে প্রতিটি স্থানের আবেগ, অনুভূতি আলাদা। কোথাও উত্তাল ঢেউয়ের অশান্ত সাগর আবার কোথাও দ্বীপের নিরব পরিবেশ।


কক্সবাজার-ভ্রমনের-জন্য-দর্শনীয়-স্থানগুলো


আর কক্সবাজার ঘুরে দেখা মানে শুধু একটি ভ্রমণ নয়, বরং প্রতিটি স্থানকে নানা রূপে কাছ থেকে অনুভব করার সুযোগ । এই বিষয়ে গুলি মনে রেখে কক্সবাজার ভ্রমনে গেলে কোন কোন স্থান গুলো ভ্রমণ করা উচিত তা নির্বাচন করতে হবে।  তাহলে ভ্রমন সার্থক এবং স্মরণীয় হবে।


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত একটি স্থান।কক্সবাজার ঘুরতে গেলে সকলের প্রথম উদ্দেশ্য থাকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত উপভোগ করা। কেননা পৃথিবীর সব চাইতে বড় সমুদ্র সৈকত আমাদের বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকত । বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭১১ কিলোমিটার। এই বিশাল উপকুলে গেলে মন আনন্দে ভরে যাবে ,কারন বিশুদ্ধ বাতাশ আর জলরাশির ঢেউয়ে ।


বিশুদ্ধ বাতাস, বিস্তিত জলরাশি, মনোরম পরিবেশ, বিশুদ্ধ বাতাস খুব কম মানুষই আছে যারা এই প্রাকৃতিক নিয়ম গুলো অপছন্দ করে। তাই সুযোগ পেলেই মানুষ এই বিশাল সমুদ্রের বুকে ফিরে আসে। এখানে গেলে সমুদ্রের ধারে হাটা, ছবি তোলা আর জোছনার আলোয় বসে থাকার সব মিলিয়ে আপনার ভ্রমণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আনন্দে ভরে যাবে। সবচেয়ে মজার বিষয় হল পড়ন্ত বিকেলে সূর্য কিভাবে সমুদ্রের বুকে বিলীন হয়ে যাচ্ছে । 

লাবণী বীচ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে কয়েকটি আলাদা আলাদা নামে বিভক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে লাবনী বিচ জনপ্রিয় সৈকত। লাবণী বীচ শহরের কাছাকাছি হওয়াই পর্যটকরা পায়ে হেটেই এই বীচে খব সহজেই আসতে পারে। লাবনী বীচ হলো শহরের প্রাণকেন্দ্র। এখানে সূর্য ডোবার সময় প্রচুর পরিমাণ লোকের সমাগম দেখা যায়। এছাড়া রাতের বেলায় এখানে দোকান যেমন, খাবার দোকা্‌ মনোহারির দোকান ইত্যাদি আলোই ভরে ওঠে এখন অপরুপ পরিবেশ।

এই বীচে গেলে সমুদ্র তীর ধরে হাঁটতে হাঁটতে ঢেউ আর বাতাসের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। লাবনী বিচে ছবি তোলার জন্য লাবনী ভিউ পয়েন্ট নামে একটি সুন্দর জায়গা তৈরি করা আছে সেখানে বালুর উপর সুন্দর সুন্দর ছবি তোলা যায়। অনেকেই আছেন সাগরের ধারে বসে হালকা কিছু খাবার নিয়ে সমুদ্রের ঢেউ দেখে আর বিশ্রাম নেয়। সব মিলিয়ে এক অপরূপ পরিবেশের অভিজ্ঞতা হবে। 





সুগন্ধা বীচ 

সুগন্ধা বীচ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে খুব জনপ্রিয় একটি সৈকত। সুগন্ধা মিস কক্সবাজারে এক প্রাণ বন্ধু ও জনপ্রিয় অংশ যেখানে সমুদ্রের ঢেউ আলো বাতাস আর চারপাশের সরগরম পরিবেশের জন্য ভ্রমণ আনন্দময় হতেই হবে।এখানে গেলে হাটা, ছবি তোলা কিংবা সমুদ্র সৈকতে বসে সময় কাটানো সব মিলিয়ে আপনার কক্সবাজার ভ্রমণ অনেক সুন্দর রঙিন হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে আপনাকে মুগ্ধ হতেই হবে সুগন্ধা বীচে আসলে।


এই বীচে গেলে শান্ত মনও অশান্ত হয়ে ওঠে সমুদ্রের গর্জন শুনে। কক্সবাজারে যতগুলো বীচ আছে সবচাইতে বেশি মানুষ এই বীচে গোসল করে এবং পানি নিয়ে খেলা করে। অনেক কে দেখা যায় বন্ধুরা মিলে ফুটবল, ভলিবল এই সব খেলা গুলো খেলে। সূর্য যখন অস্থ যায় এই বীচেও অনেক মানুষ তা দেখার জন্য ভিড় জমায় ।এখানে প্রফেশনাল অনেক ক্যামেরাম্যান আছে যারা টাকার বিনিময় ছবি তুলে দেয়। 

কলাতলী বীচ

কলাতলী বীচকক্সবাজারের খুব সহজে পৌঁছানো যায় এমন অন্যতম একটি সৈকত।  এখানে অন্যান্য বীচের চাইতে পরিবেশটা শান্ত, এখানে গেলে কোমল বাতাসের আলত ছোঁয়ায় মন ভরে যায়। এই বীচে  গেলে শান্ত পরিবেশে ধীরে হাটা, ছবি তোল এবং সমুদ্র তীরে বসে বাতাস উপভোগ করা যায়। সবমিলিয়ে বলা যায় আপনার সফর বা ভ্রমণ আরো আনন্দ দায়ক হবে। অনেকেই জোয়ার ভাটার সময় সুন্দর ছাতার নিচে বসে তা উপভোগ করে।

কক্সবাজার-ভ্রমনের-জন্য-দর্শনীয়-স্থানগুলো

কলাতলী বীচ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গেলে পানির উপর স্পিড বটে ঘুরতে পারবেন ।এখানে অনেক মানুষ ঘোড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ইচ্ছে করলে ঘোড়াই পারবেন। এই বীচের কাছে রয়েছে অসংখ্য হোটেল, রেস্টুরেন্ট এবং মার্কেট।প্রয়োজন মত কেনাকাটা, খাওয়া-দাওয়া এই বীচের পাশেই করা যায়। এছাড়া আরও বাইক রাইদ করা যায়। সমুদ্রের তীরে প্যারাসাইক্লিন করার জন্য এই কলাতলী বীচ অন্যতম একটি সৈকত।

মেরিন ড্রাইভ রোড

কক্সবাজারের প্রায় সকল রাস্তায় ভালো , সমুদ্র পাহাড় ,পর্বত এইসব কারণে রাস্তার পরিবেশের দৃশ্য খুবই মনোরোম। তার মধ্যে মেরিন ড্রাইভ রাস্তা সবচেয়ে মনোরম পথ , যেখানে একপাশে বয়ে চলেছে নীল সমুদ্র আর অন্য পাশে সবুজ পাহাড়।চলতে চলতেই দৃশ্য বদলে যায় এতে করে ভ্রমণে অফুরন্ত আনন্দ যোগ হয়। এখানে গেলে গাড়িগুলো ধীরে ধীরে এগোতে এগোতে সমুদ্র দেখা,দূর থেকে পাহাড় দেখা, মাঝ পথে গাড়ি থামিয়ে ইচ্ছে মতো ছবি তোলা সব মিলিয়ে আপনাকে মুগ্ধ হতেই হবে।

এই পথে চলতে গেলে মন জেনো স্বপ্নের পথে হারিয়ে যায়। পথ ধরে এগোতে এগোতে সমুদ্র এবং পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করা যায়।রাস্তায় চলতে চলতে অনেক উচু নিচু পথ দেখা যায়। গাড়ি যখন এই পথ ধরে চলে নিচু পথ থেকে যখন উপরের দিকে ওঠার সময় মনে হয় গাড়ি  পাহাড়ে উঠছে। এতে একটু ভয় লাগলেও অনেক আনন্দ হথছ।এই মেরিন ড্রাইভ রোডে ভ্রমণ করলে আপনার মনকে আনন্দময় করে তুলবে। 

রামু বৌদ্ধ বিহার

কক্সবাজারজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা  হচ্ছে রামু। রামুতে অনেক প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। রামুর উত্তর মিঠাছড়ির পাহাড় চুড়ায় রয়েছে গৌতম বুদ্ধের ১০০ লম্বা মূর্তি। এই অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের মানুষের সংখ্যা বেশি। রামু উপজেলার কিছুটা দক্ষিণে গেলে লালচিং ও সাদাচিং বৌদ্ধ বিহার। এছাড়াও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আরও অনেক বৌদ্ধ বিহার। 

রামুতে দেখারমত অনেক কিছু রয়েছে । আপনি কতটুকু সময় বায় করতে পারবেন বৌদ্ধ বিহার ও মন্দিরগুল দেখার জন্য। আগে পরিকল্পনা করুণ ,তারপর বেরিয়ে পড়ুন । রামু বৌদ্ধ বিহারে গেলে আপনার অনেক ধরনের অভিজ্ঞতা হবে যেমন, তাদের জাতি, ধর্ম, বর্ণ ,প্রধান উৎসব ইত্যাদি সম্পরকে।তাই কক্সবাজার ভ্রমনে গেলে  রামু বৌদ্ধ বিহার অবশ্যই যাওয়া উচিত। 


আরও পরুনঃ 

পাটুয়ারটেক সৈকত

পাটুয়ারটেক সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সবচেয়ে নিরিবিলি এবং শান্ত সমুদ্রসৈকতের মধ্যে একটি। পাটুয়ারটেক সৈকত পর্যটক সংখ্যা নেই বললেই চলে। তাই যারা নিরিবিলি পরিবেশ খুজছেন তারা অবশ্যই এই বীচে যাবেন। এখানে গেলে নীরবে হাঁটা জায়, ছবি তোলা যায়। যারা একটু সময় একা থাকতে চান পরিবেশের সাথে মিশে যেতে চান তারা এই সৈকতের বিকল্প পাবেন না। 

নির্জনে বসে বা তীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে এক অন্য রকম অনুভুতি পেয়ে যাবেন পাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতে গেলে। এই তীরে বিকেলে পর্যটক সংখ্যা সামান্য পরিমান বাড়ে।  সবমিলিয়ে বলা যায় আপনার সফর বা ভ্রমণ আরো আনন্দ দায়ক হবে। এই বীচের শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে বসে কিছুখখন শান্তভাবে সময় কাটিয়ে মনকে বিশ্রাম দিন। 

ইনানী বিচ

ইনানী বিচ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।ইনানী বিচ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। ইনানি বীচের পরিবেশ খুবই শান্ত প্রকৃতির । ইনানি বীচের সাথে বিভিন্ন রকমের  দোকান আর খাবার হোটেল দেখা যায়। সোন্ধ্যার পরের পরিবেশটা আপনার ভ্রমনের আনন্দকে অনেক পরিমান বাড়িয়ে দিবে।


এই স্থানের মনোরম পরিবেশে যে একবার গিয়েছে সে তার মায়ায় পরেছে। চিকচিক বালুরাশির উপর খালি পায়ে হাঁটা , স্থির ছবি তোলার জন্য খুবই সুন্দর একটি স্থান। যদি আপনি মনে করেন খুব নিরিবিলি সময় কাটাবেন তাহলে এখানে আসার বিকল্প নাই। পাথুরে তীর বরাবর ধীরে হাঁটতে হাঁটতে নীল সমুদ্রের রং আর প্রকৃতির নীরবতা উপভোগ করুিরে। তীরের এক কোনে বসে সুন্দর  মুহূর্ত আপনার ভ্রমনকে আনন্দদায়ক করে তুলবে।

বার্মিজ বাজার

বার্মিজ বাজার কক্সবাজারের খুব জনপ্রিয় একটি স্থান। কক্সবাজার ভ্রমণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো বার্মিজ বাজার বা বার্মিজ মার্কেট। একজন রাখাইন নারীর হাত ধরে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই বাজারটি আজ বিশাল এক বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।বর্তমানে মূল টেকপাড়া ছাড়াও শহরের বাজারঘাটা এবং সৈকত সংলগ্ন এলাকায় করিম বার্মিজ মার্কেট, আমেনা শপিং কমপ্লেক্স, জেএন প্লাজা, এবং কেএন্ডকে বার্মিজ মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি বড় বার্মিজ মার্কেট গড়ে উঠেছে।

কক্সবাজার-ভ্রমনের-জন্য-দর্শনীয়-স্থানগুলো

এই মার্কেটগুলো মূলত মিয়ানমার (সাবেক বার্মা), চীন ও থাইল্যান্ড থেকে আসা হরেক রকম পণ্যের জন্য বিখ্যাত।  তেঁতুল, আম, জলপাই, বরই ও আমলকীর টক-ঝাল-মিষ্টি বার্মিজ আচার এখানকার প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া হরেক রকমের ইমপোর্টেড চকোলেট ও পিনাট ক্যান্ডি পাওয়া যায়। মিয়ানমারের বিখ্যাত ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপাদান থানাকা, এবং চন্দন কাঠের তৈরি আসল সাবান ও কসমেটিকস এখানে বেশ জনপ্রিয়। আচার বা চকোলেট কেনার সময় মেয়াদ দেখে নিন এবং সুগন্ধি বা কসমেটিকস আসল কি না তা একটু যাচাই করে নেওয়া ভালো।

রিজু খাল

রেজু নদী বা রিজু খাল বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি নদী বা খাল।রেজু নদী বা রিজু খাল বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি নদী বা খাল। এই খালের উৎস বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত, নাফ নদী ও রেজু আমতলী কালা পাহাড়। রিজু খাল মেরিন ড্রাইভের পাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি বর্তমানে পর্যটকদের কাছে একটি সুন্দর ও জনপ্রিয় ভ্রমণ স্থান। 

অবৈধ দখল, পানি দূষণ, নির্বিচারে বালু উত্তোলন এবং অপরিকল্পিত মাটির বাঁধের কারণে এর নাব্যতা ও জোয়ার ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ হ্রাস পাচ্ছে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের একটি অন্যতম জনপ্রিয় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। 

 লাল কাঁকড়া বীচ

কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে, উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের বাইল্যাখালী এলাকায় হিমছড়ি ও ইনানী বিচের কাছাকাছি এটি অবস্থিত।


ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক

বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক। এটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় প্রায় ২,২২৪ একর  বনাঞ্চল ও টিলাময় ভূমির ওপর গড়ে উঠেছে।হরিণ প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সাফারি পার্কের রূপ নেয়। ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক অফিসিয়াল নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, কক্সবাজার।  এখানে রয়েছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, আফ্রিকান সিংহ, এশীয় হাতি, হরিণ চিত্রা ও মায়া হরিণ,  কালো ভাল্লুক, জলহস্তী, কুমির এবং বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই।

পর্যটকদের জন্য রয়েছে সাফারি বাস সার্ভিস, প্রাকৃতিক লেক, একটি সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণী চিরিয়াখনা , শিশু  পার্ক এবং পিকনিক স্পট।কক্সবাজার টার্মিনাল থেকে চকরিয়াগামী যেকোনো লোকাল বাস, সিএনজি অটোরিকশা কিংবা মাইক্রোবাসে করে সরাসরি পার্কের গেটের সামনে নেমে যাওয়া যায়।

হিমছড়ি ঝরনা 


হিমছড়ি হিমছড়ি ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।হিমছড়ি ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।

হিমছড়ি হিমছড়ি ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।হিমছড়ি ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত। এই সৈকতে মানুষের ভিড় কম হয় । কক্সবাজার শহর থেকে এর দুরে হওয়াই লোক সমাগম কম হয়।ঝরনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে অন্যতম সৈকত।

রামু রাবার বাগান

রামু রাবার বাগান বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং ঐতিহ্যবাহী একটি রাবার বাগান।মোট ২,৬৮২ একর জায়গার মধ্যে প্রায় ১,১৩০ একর এলাকা থেকে নিয়মিত রাবারের কষ বা লিকুইড সংগ্রহ করা হয়। সারিবদ্ধ ঘন সবুজ রাবার গাছের মাঝখান দিয়ে হেঁটে যাওয়ার অনুভূতি দারুণ। ছোট-বড় পাহাড় ও টিলার মাঝে ছায়াঘেরা এই পরিবেশ নিমিষেই মন জুড়িয়ে দেয়।

উপসংহার 

কক্সবাজারের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা শেষ হয় সমুদ্রের অন্তহীন গর্জন, হিমছড়ির সবুজ পাহাড়, ইনানীর পাথুরে বেলাভূমি, সেন্ট মার্টিনের নীল জলরাশি এবং রামু-মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির স্মৃতি নিয়ে। সমুদ্র সৈকতে বসে সূর্যাস্ত দেখা, মেরিন ড্রাইভ ধরে দীর্ঘ ড্রাইভ কিংবা সামুদ্রিক খাবার উপভোগের মধ্য দিয়ে প্রতিটি ভ্রমণপিপাসুর মনে এটি এক দীর্ঘস্থায়ী প্রশান্তির ছাপ রেখে যায়।

পরিবেশ রক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে ভ্রমণ করলেই কেবল কক্সবাজারের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রেইনবো বাংলার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url